logo-img

১০, ডিসেম্বর, ২০১৯, মঙ্গলবার | | ১২ রবিউস সানি ১৪৪১


বিবিয়ানা পাওয়ার প্লান্টে প্রকাশ্যে ১২ লাখ টাক ছিনতাইয়ের ঘটনার মামলায় ইউপি সদস্য দুলাল কারাগারে!

রিপোর্টার: ২৭ নভেম্বর ২০১৯, ০৭:৪৭ এএম


বিবিয়ানা পাওয়ার প্লান্টে প্রকাশ্যে ১২ লাখ টাক ছিনতাইয়ের ঘটনার মামলায় ইউপি সদস্য দুলাল কারাগারে!

বিবিয়ানা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে প্রায় সোয়া ১২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার মামলায় ইউপি সদস্য দুলাল মিয়ার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরে আলম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। দুলাল মিয়া নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য।

সূত্রে জানাযায়, নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের পারকুল গ্রামে অবস্থিত বিবিয়ানা বিদ্যুৎ পাওয়ার প্লান্ট অবস্থিত। এ প্লান্টের নির্মাণকাজে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দ্যা বেঙ্গল ইলেকট্রনিকস কোম্পানি লিমিটেড কাজ পায়। এতে স্থানীয় সহ বিভিন্ন স্থানের শ্রমিকদের দিয়ে কাজ চলছে। এমনতাবস্থায় গত মে মাসে শ্রমিকদের মাসিক বেতনের টাকা  দেওয়া হচ্ছিল। এসময় ওই এলাকার সাজু ও সাঈদ অস্ত্র নিয়ে পাওয়া পাওয়ার প্লান্টের ভেতরে প্রবেশ করে ম্যানাজার সহ উপস্থিত কর্মকর্তাদের জিম্মি করে ১২ লাখ ২৬ হাজার টাকা নিয়ে চলে যান। তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি হেড অফিস ও নবীগঞ্জ থানা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার এস আই কাওসার আহমেদ একদল পুলিশ নিয়ে পারকুল গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় ইউপি সদস্য দুলাল মিয়ার বাড়ি থেকে দুজনকে আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। 

দ্যা বেঙ্গল ইলেকট্রনিকস কোম্পানির সূত্রে জানাজায়, ইউপি সদস্য দুলাল মিয়াসহ এলাকার কয়েকজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালী লোক নিয়মিত তাদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করতো। তারা কোনো কাজ কর্ম ছাড়া (কোম্পানিকে দেখে রাখবেন) বলে মাসিক চাঁদা আদায় করেন। ছিনতাইয়ের ঘটনায় আটককৃত দুজনের নাম উল্লেখ করে অপ্সাতনামা আরো দুজনকে আসামী করে বেঙ্গল ইলেক্ট্রনিক্স কোম্পানি লিমিটেড এর সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার মজুমদার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে ইউপি সদস্য দুলাল মিয়ার সংশ্লিষ্টতা থাকায় তাকেও আসামী করে চার্জশীট দাখিল করা হয়। 

উক্ত মামলায় গত সোমবার আদালতে হাজিরা দেন দুলাল মিয়া। হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরে আলম শুনানি শেষে দুলাল মিয়ার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের আর্দেশ দেন। পরে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এ খবরে আউশকান্দি ইউনিয়ন সহ উপজেলার সচেতন মহলের লোকজনের মধ্যে চলছে আলোচনার পাশাপাশি নানা সমালোচনা। এবং অনেকের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়াও দেখা দিয়েছে।