logo-img

২১, নভেম্বর, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১


নবীগঞ্জে রাস্তার অনিময় দুর্নীতি পরিদর্শনে তদন্ত কমিটি

রিপোর্টার: নিউজ ডেস্ক | ০৯ জুলাই ২০১৯, ০৫:৫১ পিএম


 নবীগঞ্জে রাস্তার অনিময় দুর্নীতি পরিদর্শনে তদন্ত কমিটি

সংবাদ প্রকাশের পর ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের জনতার বাজার থেকে শতক পর্যন্ত রাস্তা মেরামতের কাজ শেষ হওয়ার ১ মাসের মাথায় রাস্তায় ভাঙন দেখা দেওয়ায় সরেজমিনে রাস্তার ভাঙন পরিদর্শন করেছে ঢাকা থেকে আসা তদন্ত কমিটি।

গতকাল সোমবার দুপুরে রাস্তার কাজ পরিদর্শন করেন ঢাকা থেকে আসা এলজিইডির উধ্বর্তন কর্মকর্তারা।

পরিদর্শনে অন্যানের মধ্যে ছিলেন এলজিইডির ঢাকার দুইজন নির্বাহী প্রকৌশলী, সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী, হবিগঞ্জ জেলা শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী।

এ সময় সম্পূর্ণ রাস্তার কাজ পরিদর্শন করেন এবং অনেক স্থানে গর্ত করে রাস্তার মান যাচাই-বাচাই করেন।

হবিগঞ্জ এলজিইডির সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঢাকা থেকে দুজন নির্বাহী প্রকৌশলী ও সিলেট ও হবিগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী রাস্তা পরিদর্শন করেন।

রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগে ঠিকাদারের ফাইনাল বিল আটক করা হয়েছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, বিগত প্রায় ৫-৬ বছর ধরে জনতার বাজার থেকে শতক পর্যন্ত রাস্তার বিভিন্নস্থানে বড়-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অনপোযোগী হয়ে পড়ে। এরপর থেকে এ রাস্তা সংস্কারের দাবী জানিয়ে আসছিল স্থানীয় জনসাধারণ।

গত বছরের (২৮ এপ্রিল) জনতার বাজার থেকে শতক পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের দাবীতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে দুই-ঘন্টা বিক্ষোভ করে দিনারপুর উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। এতে নড়েচড়ে বসে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

তড়িৎ গতিতে আরএআরআইপি প্রজেক্টের অধিনে দেওপাড়া থেকে শতক পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার রাস্তা মেরামতের জন্য ১ কোটি ৯ লক্ষ ৫শত ২৭ টাকার টেন্ডার করা হয়।

কাজটি পান গোলাম ফারুক নামে এক ঠিকাদার। তাঁর কাছ থেকে কাজটি কিনে নেন নবীগঞ্জের ঠিকাদার রবিন্দ্র কুমার পাল।

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজটি করান ঠিকাদার রবিন্দ্র কুমার পাল। রাস্তা মেরামতের কাজ শেষ হওয়ার ১ মাসের মাথায় রাস্তায় দেখা দেয় ভাঙন। উঠে যায় অনেক স্থানের কার্পেটিং।

বহুল প্রতীক্ষিত এ রাস্তার কাজ সম্পন্ন হলেও অসাধু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও উপজেলা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলীর যোগসাজসে নি¤œ মানের মালামাল ব্যবহার করার ফলে রাস্তার এমন অবস্থায় বলে অভিযোগ তোলেন স্থানীয় ভোক্তভোগী জনসাধারণ।

এরই প্রেক্ষিতে গত ২৬ জুন দৈনিক হবিগঞ্জের জনতার এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ হয়। আর এই সংবাদের প্রেক্ষিতেই গতকাল তদন্তটিম রাস্তাটি পরিদর্শনে আসেন।