logo-img

১৭, জুন, ২০১৯, সোমবার | | ১৩ শাওয়াল ১৪৪০


সাবমেরিন ক্যাবলে বিদ্যুতায়ন হচ্ছে চরাঞ্চল

রিপোর্টার: নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২ এপ্রিল ২০১৯, ০৮:৩৬ পিএম


সাবমেরিন ক্যাবলে বিদ্যুতায়ন হচ্ছে চরাঞ্চল

সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পেতে যাচ্ছে চরাঞ্চলের মানুষ। চলতি মাসের ২৩ তারিখ শরীয়তপুরের কয়েকটি চর অধ্যুষিত ইউনিয়নের ৭০ হাজার মানুষ এই সুবিধার আওতায় আসছে। এতদিন শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার চর নওপাড়া ও চরআত্রায়, ভেদরগঞ্জ উপজেলার কাচিকাটা এবং জাজিরার কুন্ডেরচরের বহু মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। 

প্রায় শত বছর আগে গড়ে ওঠা এই চরগুলোর মানুষ হারিকেন ও প্রদীপের আলো ছাড়া কখনো বিদ্যুতের আলো পায়নি। এবার পদ্মা নদীর তলদেশ দিয়ে সেই চরে বিদ্যুতায়ন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুত সুবিধার আওতায় আনা হচ্ছে। 

এ বিষয়ে শরীয়তপুর-২ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এবং পানিসস্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম জানান, শত বছর আগে গড়ে ওঠা এই চরে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ বসবাস করে। এই এলাকার মানুষের দীর্ঘ দিনে আশা আকাঙ্খা হলো বিদ্যুতের আলো। আমরা উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। নদীর নিচে দিয়ে বিদ্যুত নেওয়া একটু দুরহ তাই আগামী ২৩ এপ্রিল সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে নদীর নিচ দিয়ে বিদ্যুতের লাইনের উদ্বোধন হচ্ছে।

তিনটি চরের মানুষের অধিকতর বিদ্যুত সুবিধার জন্য চর আত্রায়ে একটি সাব পাওয়ার স্টেশন করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী এনামুল হক শামীম। তিনি বলেন, বিদ্যুতের কোন ধরনের ঘাটতি যাতে না পরে এর জন্য আমরা চর আত্রায় একটি সাব পাওয়ার স্টেশন করবো। এই সাব পাওয়ার স্টেশনের কাজও ২৩ তারিখে উদ্ভোধন হবে।

এই বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী জয়নাল আবেদিন  বলেন, পদ্মার নদীর শরীয়তপুর অংশের তীর থেকে ওই চরের নদীর দৈর্ঘ্য সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় কিলোমিটার। এ কারণে শরীয়তপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া সম্ভব হবে না। এ সময় সিদ্ধান্ত হয় মুন্সিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি থেকে ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হবে। আগামী ২৩ এপ্রিল আমরা ৮০০ মিটার অংশে বিদ্যুতের লাইনের কাজ শুরু করবো। আশা করছি তিনটি চরের প্রায় ৭০ হাজার মানুষ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বিদ্যুত সুবিধা পাবে।