logo-img

১৭, জুন, ২০১৯, সোমবার | | ১৩ শাওয়াল ১৪৪০


আত্মহত্যার প্ররোচনা প্রমান হলে মৃত্যুদণ্ড

রিপোর্টার: নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:১১ পিএম


আত্মহত্যার প্ররোচনা প্রমান হলে মৃত্যুদণ্ড

ছবি : সংগৃহীত

দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারায়, শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনার বিষয়ে বলা আছে। ‘আইনে বলা আছে ,যদি আঠারো বছরের কম বয়স্ক কোনো ব্যক্তি, কোনো উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোনো ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।’

ফৌজদারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফারুক আহম্মেদ সংবাদ মাধ্যমে এ কথা জানান। 

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর (১৫) আত্মহত্যার ঘটনায় পল্টন থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের বাবা দিলীপ অধিকারী মামলা করেছেন।

মামলায় দিলীপ অধিকারী অভিযোগ করেছেন, ‘তার মেয়েকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে। এ কারণে দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারায় অভিযোগটি করা হয়।’

আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ আরও বলেন, ‘অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীরা সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। অন্যদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হলে তারা খালাস পাবেন।’

অরিত্রী অধিকারীর (১৫) আত্মহত্যার ঘটনা মামলায় আসামি করা হয়েছে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, শাখা প্রধান জিন্নাত আরা ও শ্রেণিশিক্ষক হাসনা হেনাকে।

দায়ের করা মামলার এজাহার ও এফআইআর (প্রাথমিক তথ্য বিবরণী) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে এসে পৌঁছালে বিচারক আগামী ৯ জানুয়ারি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার ৪ ডিসেম্বর এ ঘটনায় অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী বাদী হয়ে মামলা করেন। 

অরিত্রী অধিকারী ভিকারুননিসা নূন স্কুলের প্রভাতি শাখার ইংরেজি মাধ্যমে নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তাদের বাসা শান্তিনগরে। অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারীর গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলায়।