logo-img

২০, অক্টোবর, ২০১৯, রোববার | | ২০ সফর ১৪৪১


ঢাকা-১৪ আসনে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে তুহিন

রিপোর্টার: ০৯ নভেম্বর ২০১৮, ০৮:৪০ পিএম


ঢাকা-১৪ আসনে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে তুহিন

ঘনিয়ে আসছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়। এরই মধ্যে নির্বাচনী হাওয়া লেগে গেছে দেশের সংসদীয় আসনগুলোর বিভিন্ন এলাকায়। মনোনয়নপ্রত্যাশী নিয়মিত জনসংযোগ করে বেড়াচ্ছেন তৃণমূলে। সে সাথে দলীয় প্রার্থী তালিকা চড়ান্ত হচ্ছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অধিকাংশ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশও করেছে। তবে দলের হাই কমান্ড প্রার্থী তালিকা পবির্তন হতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন।

ঢাকা-১৪ আসনেও বইছে নির্বাচনী হাওয়া। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে মনোনয়ন-দৌড়ে এগিয়ে আছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে তার প্রত্যাক্ষ যোগাযোগ রয়েছে। নেতাকর্মীরাও তাকেই চায়। তাই তিনি আশা করছেন দলের মনোনয়ন নিজের পক্ষে আসবে। এছাড়া বর্তমান সরকার নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী। সে দৌড়েও এগিয়ে রয়েছে সাবিনা আক্তার তুহিন।

দারুস সালাম, শাহ আলী ও রূপনগর থানা কাউন্দিয়া ইউনিয়ন ও মিরপুর থানার অংশ বিশেষ নিয়ে গঠিত হয় ঢাকা-১৪ আসন। এই আসনের বর্তমান সাংসদ আসলামুল হকসহ অনেকেই আগামী নির্বাচনেও দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী। তবে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা সাবিনা আক্তার তুহিনকেই চায় বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনের কর্মীরা বলছেন মনোনয়ন পেলে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করতে পারবেন। ঢাকা ১৪ আসনের আওয়ামীলীগের এক নেতা বলেন, তুহিন আপা আওয়ামী লীগের আন্দোলন-সংগ্রামের একজন পরিচিত মুখ। ১/১১ সরকারের সময় নেত্রীর (শেখ হাসিনা) মুক্তির আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এ ছাড়া বিএনপি-জামায়াত সরকারবিরোধী আন্দোলনে তিনি রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এ জন্য সাবিনা আক্তার তুহিনকে অনেক কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল।
সাবিনা আক্তার তুহিনকে কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে উল্লেখ করেন ওই নেতা। তিনি বলেন, নেতাকর্মীদের পাশে সব সময়ই থাকেন। সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছেন। এলাকার জনগণের সাথে তার একটা সম্পর্ক রয়েছে। আগামী নির্বাচনে ত্যাগী নেতাকে দলের হাইকমান্ড মূল্যায়ন করবে বলে আমরা আশা করি।

জানা যায়, সাবিনা আক্তার তুহিনের বেড়ে ওঠা মিরপুর এলাকায়। বিএনপি-জামায়াতবিরোধী আন্দোলনের কারণে তাদের রোষানলে পড়েছিলেন তিনি এবং একাধিকবার কারাবরণ করেছেন। এ ছাড়া একজন কর্মী হিসাবেই ১/১১ সময়ে নেত্রীর মুক্তির আন্দোলনে রাজপথে ছিলেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি হওয়ার পর এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছেন। নাগরিক সুযোগ সুবিধা যেন নাগরিকরা সঠিকভাবে পায় সে বিষয়ে জোরদার ভমিকা রেখে আসছেন সাবিনা আক্তার তুহিন। দরিদ্রদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর তহবিলসহ সরকারি সকল বরাদ্ধ যেন দরিদ্রতা শতভাগ পায় এবং এলাকার উন্নয়ন বরাদ্ধও যেন সঠিকভাবে কাজে লাগে সে বিষয়ে সবসময়ই তৎপর ছিলেন এই নারী সংসদ সদস্য।

উল্লেখ্য, তিনি যেকোন সম্প্রদায়ের ধর্মী উৎসবে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহযোগীতা করে আনছেন। দরিদ্রদেরকে স্বাবলম্ভী করার জন্য সেলাই মেলিন, রিক্সা, সিএনজি অটোরিক্সা ও নগদ অর্থসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করে আসছেন তিনি। এছাড়া কাউন্দিয়া ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী, কাউন্দিয়া-ঢাকা সংযোগ সেতু বাস্তবায়নেও অগ্রণী ভমিকা ও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সাবিনা আক্তার তুহিন এক বক্তব্যে জানান, ঢাকা-১৪ আসনের মানুষের প্রতি তার বিশ্বাস আছে বলে। তিনি বলেন, তারা মনে করে আমি মনোনয়ন পেলে উন্নয়নের ধারা আরও গতিশীল হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে জননেত্রীর ভীশন বাস্তবায়নে, উন্নয়নধারা এগিয়ে নিতে নেত্রীর নির্দেশনা যথাযথ পালন করবো। তারপরও আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের উপর শ্রদ্ধাশীল। তিনি নৌকা যাকে দিবেন তাঁর জন্য আমি কাজ করব।